প্রেমের ফাঁদে ফতুল্লায় তরুণীকে ধর্ষণ

প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রলোভনে বাড়ি থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ডেকে এনে ঢাকার মিরপুরের এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে ফতুল্লা থানার পুলিশ ধর্ষক যুবকের মামী থানার কাশীপুর এলাকার মৃত হাসু মিয়ার স্ত্রী বেবী আক্তারকে সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী জানায়, গত ৫ বছর যাবৎ তার সঙ্গে মুন্সীগঞ্জ পৌর এলাকার শেখ মো. আলীর ছেলে মাছুম বেপারীর মোবাইল ফোনে প্রেম চলছিল।

এক পর্যায়ে গত ৯ই ডিসেম্বর মাছুম ওই তরুণীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ফতুল্লায় আসতে বলে। সে ফতুল্লায় আসার পর মাছুম তাকে কাশীপুর এলাকায় তার মামার বাড়ি নিয়ে যায়। সেখানে তাকে আটকে রেখে বিয়ে না করেই একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। এভাবে ১২ দিন অতিবাহিত হবার পর গত রোববার ওই তরুণী কৌশলে ওই বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরীক্ষা করায় এবং ওই রিপোর্ট নিয়ে এসে সোমবার রাতে ফতুল্লা থানায় মামলা দায়ের করে। মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ সোমবার রাতেই কাশীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষক মাছুমের মামী বেবী আক্তারকে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে এবং ওই তরুণীকে আবারও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফতুল্লা থানার ওসি জীবন কান্তি সরকার জানান, ধর্ষক মাছুমকে গ্রেপ্তারে মুন্সীগঞ্জে তার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি।

এমন আরও কিছু খবর:

  1. দাম্পত্য কলহের জের-
  2. শ্রীনগরে ধর্ষণ ও অপহরণ মামলা তুলে নিতে ভিকটিমকে হুমকি
  3. মুন্সিগঞ্জে তিনজনের লাশ উদ্ধার
  4. সিরাজদিখানে সাত বছরের শিশু ধর্ষিত : ধর্ষক গ্রেপ্তার
  5. মুন্সীগঞ্জে শ্বশুর ও জামাই হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫

3 Responses

Write a Comment»
  1. এটা একটা ফাঁদ, মেয়েটা ছেলে এবং ছেলের পরিবার কে এক প্রকার ফাঁদে ফেলেছে। দুই নাম্বার মেয়েরা এখন প্রতিদিন অল্প অল্প ইনকাম করার চাইতে ছয় মাসে সাতদিন কাজ করে হঠাৎ বড়লোক হওয়ার প্লান করছে। তারা প্রথমে মোবাইল এ অথবা অন্য কোন ভাবে সম্পর্ক করবে, সুযোগ বুজে তার সাথে রাত কাটাবে, তার পর মেডিকেল গিয়ে সার্টিফিকেট নিয়ে মামলা করবে। কিছুদিন ভোগাবে তারপর আপস এর কথা বলে মোটা অঙ্কের মুচলেকা (ডোনেশন) নিয়ে মামলা তুলে নিবে। কোর্টে গিয়ে বলবে ছেলে আমাকে বিয়ে করতে রাজ়ী হয়েছে তাই আমার মামলা তুলে নিতে কোনও আপত্তি নাই।

    এতে করে ওই সকল মেয়েরা এবং এক শ্রেণীর আইনজিবীরা মোটা অঙ্কের পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। তাদের মাসিক ইনকাম লাখ টাকার উপরে। তবে হ্যা ছেলে ও মেয়ে উভয়ে যৌন মিলন করেছে তা ঠিক হতে পারে। কিন্তূ আমার বোধহয় মেয়েটা ছেলেটাকে এটা করতে উৎসাহ যুগিয়েছে। মোম আর আগুন একত্রে থাকলেতো মোম গলবেই। সবাই নিজেকে যতই হাজী সাহেব ভাবুক না কেন এই রকম সুযোগ পেলে সবাই তা গ্রহন করবে কিন্তূ পরে যখন ফেসে যায় তখন তাদের হুস হয়।

    ধন্যবাদ সবাইকে

  2. bad news everyday

  3. Shame……….

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>