টঙ্গিবাড়িতে ধর্ষণের পর বিয়ে, বিপাকে স্কুল ছাত্রী

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়িতে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের পর গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে বিয়ের ঘটনা ধর্ষক ও তার পরিবার মেনে না নেয়ায় চরম বিপাকে পড়েছে স্কুল ছাত্রী ও তার পরিবার। জানা যায়, উপজেলার পাঁচগাঁও গ্রামের দেলোয়ার হোসেন খানের মেয়ে পাঁচগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী নিপা আক্তারকে (১১) পার্শ্ববর্তী দশত্তর গ্রামের মৃত সাইজউদ্দিন হাওলাদারের ছেলে আনিস গত ২৩ জুন রাতে ধর্ষণ করে। এ সময় এলাকবাসী ধর্ষক আনিসকে আটক করে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে নিপা আক্তারের সঙ্গে তার বিয়ে দিয়ে দেয়। বিয়ের ৩ দিন পর আনিস নিপার বাড়িতে থেকে চলে গিয়ে তাদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

নিপা আক্তার জানায়, বিয়ের ৩ দিন পর তাদের বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর আনিসের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বিষয়টি প্রকাশ হওয়ায় লোক লজ্জার কারণে সে স্কুলেও যেতে পারছে না।

ধর্ষক আনিসের পরিবার জানায়, ইচ্ছার বিরুদ্ধে মাতবররা তাদের ছেলে বিয়ে দিয়েছে। তাই এ বিয়ে তারা মানে না। প্রয়োজনে তারা আদালতের দ্বারস্থ হবে বলে জানায় তারা।

এ ব্যাপারে টঙ্গিবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্ত (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ বলেন, এ ব্যাপারে পুলিশকে অবগত করা হয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

শীর্ষ নিউজ
—————————————-

বিবাহিত শিশু নিপার প্রশ্ন_ আমি অহন কই যামু
টঙ্গিবাড়ী উপজেলার পাঁচগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী নিপা আক্তার (১১) ধর্ষণের শিকার হয়ে গ্রাম্য সালিশীর মাধ্যমে ধর্ষক আনিসকে বিয়ে করে প্রতারিত হয়ে তার মুখে এখন একটাই প্রশ্ন_ আমি অহন কই যামু। শুক্রবার সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদিকদের কাছে এই প্রশ্ন করে শিশুটি।

পাঁচগাঁও গ্রামের দেলোয়ার হোসেন খানের মেয়ে পাঁচগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী নিপা আক্তারকে পাশের দশত্তর গ্রামের মৃত সাইজউদ্দিন হাওলাদারের ছেলে আনিস গত ২৩ জুন বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষণ করে। এ সময় রাস্তা দিয়ে যাতায়াতকারী কয়েকজন পথিক দেখে ফেললে ধর্ষককে আটক করে গ্রাম্য মাতব্বরদের খবর দেয়। পরে ধর্ষককে দশত্তর গ্রামের নান্নু হাওলাদারের জিম্মায় গ্রাম্য সালিশী যে মুহূর্তে চাইবে সেই সময় আনিসকে হাজির করতে বাধ্য থাকবে এই শর্তে জিম্মা দেয়া হয়।

পরের দিন শুক্রবার স্থানীয় গ্রাম্য সালিশীর মাধ্যমে তাদের বিয়ে দেয়া হয়। তখন বিয়ের ব্যাপারে আনিসের বড় ভাই সহিদ আপত্তি করলে তাকে মেরে গুরম্নতর আহত করে এ বিয়ের ব্যাপারে বাধ্য করা হয় বলে সহিদ জানায়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য টঙ্গিবাড়ী স্বাস্থ্য কমপেস্নঙ্ েভর্তি করা হয়। বিয়ের পর ধর্ষক আনিস শ্বশুরবাড়িতে নিপার সঙ্গে ৩ দিন সংসার করার পর গত ২৭ জুন সোমবার সকাল বেলা না বলে চলে যায়। নিপা জানায়, তারপর সে বহুবার আনিসের মোবাইলে ফোন করলে ফোন না ধরে সে মোবাইল বন্ধ করে রাখে। নিপা আরো জানায়, “আনিসের লগে আমার গত ১ বছর ধইরা প্রেমের সম্পর্ক ছিল। হেই দিন রাইতে হেয় আমাগো ভাঙ্গা জানালা দিয়া ঘরে ঢোকে। একটি বই এনে বলে এইখানে সই কর। আমি হেনে সই করলে সে বলে তুমি এহন আমার আইনগত স্ত্রী। এটা হচ্ছে কাবিননামা। অহন তোমার সঙ্গে সংসার করতে আমার আর কোন বাধা নাই। এরপর হেয় আমার ইচ্ছার বিরম্নদ্ধে আমার সঙ্গে মেলামিশা করে। পরে ৩ দিন হেয় আমার লগে থাইক্কা আমারে না কইয়া চইলস্না যায়। আগে প্রতিদিন স্কুলে যাইতাম কিন্তু সারেরা ও অন্য মানুষেরা এগুলা সব জাইন্না হালাইছে। তাই স্কুলেও যাওনের উপায় নাই। আমি অহন কই যামু?”

নিপাদের ঘরে আনিসকে আটক করার সময় উপজেলার হাসাইল ইউনিয়নের বিবাহ নিবন্ধন ভলিয়ম বইটি পাওয়া গেছে। যা বর্তমানে সালিশীদের মাধ্যমে পাঁচগাঁও ইউনিয়ন কাজী কাওসার এর জিম্মায় রয়েছে।

জনকন্ঠ
—————————————-

মুন্সীগঞ্জে কিশোরী ধর্ষন: অতপর ধর্ষকের সাথে বিয়ে

সাকিল হাসান, মুন্সীগঞ্জ: মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার পাঁচগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী নিপা আক্তর (১১) ধর্ষনের শিকার হয়ে গ্রাম্য শালিশীর মাধ্যমে ধর্ষক আনিসকে বিয়ে করে প্রতারিত হয়ে তার মুখে এখোন একটাই প্রশ্ন আমি এহোন কই যামু।

জানা গেছে,উপজেলার পাঁচগাঁও গ্রামের দেলোয়ার হোসেন খাঁন এর মেয়ে পাঁচগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী নিপা আক্তার (১১) কে পাশের দশত্তর গ্রামের মৃত সাইজউদ্দিন হাওলাদার এর ছেলে আনিস গত ২৩ শে জুন বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষন করে। এ সময় রাস্তা দিয়ে যাতায়তকারী কতিপয় পথিক দেখে ফেললে ধর্ষককে আটক করে গ্রাম্য মাতবরদের খবর দেয়। পরে ধর্ষককে দশত্তর গ্রামের নান্নু হাওলাদারের জিম্মায় গ্রাম্য শালিশী যে মুহুর্তে চাইবে সেই সময় আনিস কে হাজির করতে বাধ্য থাকিবে এই শর্তে জিম্মা দেওয়া হয়। পরের দিন শুক্রবার স্থাণীয় গ্রাম্য শালিশীর মাধ্যমে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। তখন বিয়ের ব্যাপারে আনিসের বড় ভাই সহিদ আপত্তি করলে তাকে মেরে গুরুতর আহত করে এ বিয়ের ব্যাপারে বাধ্য করা হয় বলে সহিদ জানায়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য টঙ্গিবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বিয়ের পর ধর্ষক আনিস শশুর বাড়ীতে নিপার সাথে ৩ দিন সংসার করার পর গত ২৭ শে জুন সোমবার সকাল বেলা না বলে চলে যায় ।

নিপা জানায়, তারপর সে বহুবার আনিসের মোবাইলে ফোন করলে ফোন না ধরে সে মোবাইল বন্ধ করে রাখে। নিপা আরো জানায়, আনিসের সাথে আমার গত ১ বছর যাবৎ প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। হে দিন রাতে হেয় আমাগো ঘরের ভাঙ্গা জানালা দিয়ে ঘরে ঢুকে। একটি বই এনে বলে এখানে স্বাক্ষর করো। আমি হেনে স্বাক্ষর করলে সে বলে তুমি এখোন আমার আইনগত স্ত্রী। এটা হচ্ছে কাবিননামা। এখোন তোমার সাথে সংসার করতে আমার আর কোন বাধা নেই বলেই আমাকে জড়িয়ে ধরে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমার সাথে মেলামিশা করে। পরে হের সাথে আমার বিয়া অয় ৩ দিন হেয় আমার লগে থাইক্কা আমারে না কইয়া চইল্লা যায়। আগে প্রতিদিন স্কুলে যাইতাম কিন্তু সারেরা ও অন্য মানুষেরা এগুলা সব জাইন্না হালাইছে। তাই স্কুলেও যাওনের উপায় নাই। আমি এহোন কই যামু?

স্থাণীয় মাতবররা জানায়, নিপাদের ঘরে আনিসকে আটক করার সময় উপজেলার হাসাইল ইউনিয়নের কাজি মোহাম্মদ আলীর বিবাহ নিবন্ধন বলিয়ম বইটি পাওয়া গেছে। যা বর্তমানে শালিশীদের মাধ্যমে পাচঁগাওঁ ইউনিয়ন কাজি কাওসার এর জিম্মায় রয়েছে।

বিডি রিপোর্ট ২৪
—————————————-

এমন আরও কিছু খবর:

  1. মুন্সিগঞ্জে স্কুল ছাত্রী ইভটিজিংয়ের শিকার॥ইভটিজার গ্রেফতার
  2. তিন বিয়ে: ব্রাউনিয়া-কিবরিয়া, ফারুকী-তিশা, হাবিব-মোনালিসা
  3. প্রেমিকার বিয়ে ভাঙতে গিয়ে পুলিশের হাতে প্রেমিক ও তার ৫ বন্ধু আটক
  4. মুন্সীগঞ্জে লম্পট প্রেমিকসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা
  5. বিয়ে করলেন বাঁধন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>