এবার মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে আলুর পাশাপাশি কৃষকরা রসুন চাষে মনোযোগ দিয়েছেন। উপজেলার ১০০ হেক্টর জমিতে চাষিরা রসুন বুনেছেন বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা। বার বার আলুতে লোকসান গুনে অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি রসুন চাষ করতে মাঠে নেমেছেন স্থানীয় কৃষকরা। রসুন বুনতে সার ও বীজের খরচ কম লাগে বলে জানান উপজেলার কৃষক আ. আউয়াল খান। এছাড়া জনবল কম হলেই এ চাষ করা যায় বলে তিনি প্রতিবেশী কৃষকদের এ আবাদে উৎসাহ দিচ্ছেন। প্রতি শতাংশ জমিতে ২০ কেজি রসুন উৎপন্ন হয়। শতাংশ প্রতি উৎপাদিত রসুনের ওপর ৩০০ টাকা লাভ থাকে বলে স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন।
এ ক্ষেত্রে আলুর চেয়ে রসুন চাষে লাভ বেশি হওয়ায় চাষিরা স্বল্প পরিসরে রসুন বুনা শুরু করেছেন। কোনো কোনো কৃষক লোকসান খেয়েও আলুর আবাদ থেকে এক পা সরে আসেনি। রসুন চাষ লাভজনক কৃষকদের বুঝালে উপজেলার ধীপুর এলাকার আলু চাষি মকবুল বলেন, লোকসান হলেও আলুর আবাদ কমছে না। এতে ‘আলু ভালো রসুনের কী দোষ’ জানতে চাইলে তিনি বলেন, মনগড়া কৃষকরা অতীতের ন্যায় অধিক লাভের আশায় আলু চাষ করছে। উপজেলার চরাঞ্চলে রসুনের আবাদ বেশি হচ্ছে বলে ওই এলাকার মহিলা কৃষক আলেয়া মেম্বারের কাছ থেকে জানা গেছে। এছাড়া উপজেলার বেতকা, আলদি, দিঘীরপাড়, হাসাইল এলাকার বেশ কিছু জমিতে রসুনের আবাদ করা হয়েছে। দেশীয় জাতের রসুনে পোকা মাকড়ের আক্রমণ কম হয় বলে ওই বীজের চাহিদা বেশি। আলুর পাশাপাশি রসুনের আবাদ হলে জনগণের চাহিদা পূরণ হবে বলে কৃষকরা ভাবতে শুরু করেছেন। আলুতে লোকসানি কৃষকরা বলতে শুরু করেছেন ‘আলু ভালো রসুনের কী দোষ’।
ডেসটিনি
এমন আরও কিছু খবর:

মন্তব্য